সোনাগাছির সতী-উনসতী সন্ধান
আত্মকথন-ভিত্তিক উপস্থাপনা ও সম্পাদনা :
পারমিতা ব্যানার্জি, শ্রীজা চক্রবর্তী, সুমিতা বীথি
পার্থ দাশগুপ্ত চিত্রিত
একটাই সরু, পেঁচানো গলির নাম সোনাগাছি লেন বটে, কিন্তু এলাকাটা বিরাট, আর গলিও তার মধ্যে অসংখ্য।
কলকাতার অন্যান্য কিছু লালবাতি এলাকার মতো কংক্রিটের দেওয়ালে টিন-টালি-অ্যাসবেস্টসের ছাত তুলে সারসার ঘরের বস্তিবাড়ি নয় সোনাগাছি; রীতিমতো দোতলা, তিনতলা, চারতলা কুঠিবাড়ির সমাহার। আছে নীলকমলের মতো আইকনিক ফ্ল্যাটবাড়ি; প্রতি ঘরে যার এসি। এ পাড়ার কুলীন এই সব ফ্ল্যাটবাড়ি; এখানকার মেয়েদের রাস্তায় দেখা যায় না। তাঁরা 'ইজ্জতের সঙ্গে' ফ্ল্যাটের ভেতরে থাকেন; খরিদ্দার নিয়ে আসে দালাল। পাশাপাশি অবশ্য 'গেট করা', অর্থাৎ নিজেরাই খরিদ্দার সংগ্রহ করা, ঊনসতীরাও আছেন।
রয়েছে অনেক 'গিরস্ত' বাড়ি, যেখানে থাকেন সোনাগাছির সতীরা, একেবারে ঊনসতীদের পাশাপাশি- রাস্তার এপার-ওপারের ভাগটুকুও নেই।
হাফ-গিরস্ত বাড়িও আছে বৈকি, যেখানে ঊনসতীরা থাকলেও কাজ করতে যান অন্য কোথাও।
যাকে 'শিক্ষিত' মানুষেরা বলেন যৌনব্যবসা, আর সেই কাজে লিপ্ত মানুষেরা বলেন ধান্দা, তার চর্চায় সোনাগাছির স্থানমাহাত্ম্য কিংবদন্তি।
সোনাগাছি সন্ধানে সতী-ঊনসতী উভয়েই আত্মপ্রকাশ করেছেন নিজেদের বয়ানে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি