সত্যসন্ধানী রোশনি
সর্বজিৎ মুখোপাধ্যায়
প্রথম উপন্যাস 'ফটোর ইশারা' গল্পে করবীর বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হয়ে আসে রোশনি। নিচের একটা ঘরে আশ্রয় পায় সে। সেখানেই দেয়ালে টাঙানো ছিল করবীর মৃত মেয়ে পাপিয়ার একটা ফটো। এই ফটোটা রোশনিকে যেন কিছু বলে উঠতে চায়। রোশনি জানতে পারে পাপিয়ার মৃত্যুটা স্বাভাবিক হয়নি। তদন্তও মাঝপথে এসে আর এগোয়নি। কার বা কাদের নির্দেশে বন্ধ হয়ে গেছে। মানবিক কারণে ভেতর থেকে একটা চাপ অনুভব করে রোশনি। শুরু করে তদন্ত। আর অদ্ভুত ভাবে পাপিয়া তাকে বন্ধুর মতো পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। খুলে যেতে থাকে একটার পর একটা দরজা।
দ্বিতীয় উপন্যাস 'মুখের ভেতর অন্য মুখ' গল্পে সিনেমার শ্যুটিং-এর সময় সহ-অভিনেতা রাকেশ সান্যালের হাতে থাকা বন্দুকের গুলি খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শ্রাবণী। কিন্তু এমনতো হবার কথা ছিল না। শুধু রাকেশ নয় সবাই স্তম্ভিত হয়ে যায় এই ঘটনায়। রোশনির বন্ধু শ্রাবণী। শ্রাবণীর বাবা অখিলেশবাবু রোশনিকেই দায়িত্ব দেন রহস্যটা খুঁজে বের করার। রোশনি দায়িত্ব নেয়। পাশে পায় তার অফিসের সহকর্মী দেবাংকে। গভীর অনুসন্ধানের পর সত্যটা বেরিয়ে আসে। ধরা পড়ে আততায়ী।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি