প্রাগৈতিহাসিক ভারত ও প্রাচীন মিশর
সুধাংশু কুমার রায়
অনুবাদ : সৌমক পোদ্দার
বর্তমান বাংলার এক প্রায়-বিস্মৃত নাম সুধাংশু কুমার রায়। যিনি তাঁর গবেষণায় সযত্নে উন্মোচিত করেছেন পূর্ব ভারতের ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়। এই অতীত অজানা, অচেনা। আমাদের কথায়, কাজে, বাসায়, ভাষায় জড়িয়ে রয়েছে মিশরীয় সভ্যতা। লেখক একের পর এক উদাহরণ দাখিল করেছেন। বেশ কিছু চিত্র সমেত আটটি অধ্যায়ে বিভক্ত বইটিতে নাম-স্থাননাম, দৈনন্দিন রোজনামচা থেকে ব্রত-পার্বণ, ধর্মীয় সংস্কৃতিতে মিশরীয় সভ্যতার প্রতিফলনের সাক্ষ্য উঠে এসেছে।
আমাদের সামনে, প্রমাণ করেছেন কতটা নৈকটা এই দুই অঞ্চলের সংস্কৃতিতে।
----------------------------------
সুধাংশু কুমার রায়ের জন্ম খুলনা জেলার কাঠাল গ্রামে। পিতা প্রসন্নকুমার। মাতা সরমীবালা দেবী। পরবর্তী সময়ে ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদারের অধ্যক্ষতাকালে ইণ্ডিয়ান সোসাইটি অব ওরিয়েন্টাল আর্টে-এ কাঠখোদাই বিষয়ের অনুশীলন (১৯২৭-৩২) করেন ও নমীন ব্লান্ট স্বর্ণপদকে পুরস্কৃত হন।
কর্মজীবনের সচনায় কলকাতার সরোজনলিনী শিল্প বিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষকতার সত্রে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। স্বনামধন্য গুরুসদয় দত্তের সান্নিধ্যলাভের ফলে তিনি লোকশিল্পে আকৃষ্ট হন এবং এ বিষয়ে সমীক্ষা ও গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে অল ইন্ডিয়া হ্যান্ডিক্র্যাফটস বোর্ডের (নতুন দিল্লি) এরাফটস মিউজিয়ামের জুনিয়ার ফিল্ড অফিসার নিযুক্ত হন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ মিউজিয়ামের করাল ক্রাফট সার্ভেয়ার রূপেও তিনি কাজ করেন। সিন্ধু সভ্যতার লিপি। সম্পর্কে তিনি গবেষণা করেন। চারুকলা ও স্থাপত্যবিদ্যায় অবদানের জন্য তিনি জি জি ওয়াটমল মেমোরিয়াল পুরস্কারও লাভ করেন (১৯৬৪)।
স্বাতন্ত্র্যবীর সাভারকর রাষ্ট্রীয় স্মারক, মুম্বাই এর শ্যামজী কৃষ্ণবর্মা রিসার্চ ফেলো সৌমক পোদ্দার বর্তমান সময়ের একজন বিশিষ্ট গবেষক সম্পাদক এবং অনুবাদক। তাঁর গবেষণার বিষয়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। বইদেশিক থেকে এটি তাঁর অনুদিত প্রথম বই
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি