বাঙালির দীঘা : বাঙালির দীপুদা
সম্পাদনা : দময়ন্তী দাশগুপ্ত, সুমেরু মুখোপাধ্যায়, সুমহান বন্দ্যোপাধ্যায়
বয়সের হিসেবে 'দীপুদা' র মধ্যে দীঘা মেজভাই। বড়ভাই অবশ্যই পুরী। কিন্তু পুরীর ক্ষেত্রে পূজাচার ধর্মকর্মের প্রয়োজনীয়তাই ছিল প্রবলতম প্রেরণা। দার্জিলিং প্রকৃতিপ্রধান সন্দেহ নেই; তবে পৃথকভাবে ব্যবসায়িক গুরুত্ব কম নয়। সে হিসেবে দীঘার প্রকৃতিময়তা সম্ভাবনার সঙ্গে মিলেমিশে একাকার। তবে দার্জিলিং-এর আগে দীঘা বিদেশি পর্যটকদের কাছে অবসর যাপনের স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অতঃপর এর নানানতরো সম্ভাবনার দিক অন্বেষণ অব্যাহত থেকেছে। ১৮ শতকে হেস্টিংস থেকে ২০ শতকের স্নেইথ।
এখন সে ঝাউবনও নেই, নেই সন্ন্যাসী কাঁকড়ার ঝাঁক। চটজলদি রূপ ফেরাতে বালুতটের ইতিউতি জবরদখল করেছে কংক্রিট স্ল্যাব, অহেতুকি চিল্ড্রেন'স পার্ক। হুমড়ি খাওয়া হোটেলারণ্যের হুমকিতে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে দামাল নীল ঢেউও। তবে যাই হোক, দীঘা ছাড়া বাঙালি বাঁচে কী করে? ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে ফাঁকে টুক করে দীঘা! প্রথম পিকনিকের স্মৃতি থেকে ছোটবেলার বন্ধুদের ফিরে পাওয়া, উঠতি বয়েসের বেপরোয়া প্রেম থেকে মাঝবয়েসের হিসেবি পরকীয়া, নশিলী হাস্য থেকে মোহিনী লাস্য, পয়লা প্রেমে হাফসোল থেকে সুখী গৃহকোণের হিসেবি টালমাটাল- সবেরই ঠিকানা এই সৈকতশহর। দীঘার প্রেক্ষাপটে গল্প-উপন্যাস লেখা হয়েছে। এই শহরকে লোকেশন করে সিনেমা তৈরি হয়েছে। এবার ব্যক্তিগত রংদার স্মৃতি মনের সিন্দুক থেকে ঝেড়েপুঁছে একগুচ্ছ স্বাদু লেখনীতে সাজানো এই সংকলন।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি