খন্ড খতিয়ান
নির্মাল্যকুমার মুখোপাধ্যায়
মফস্বল শহরে বড় হয়ে ওঠা অনিকেত চাকরিতে প্রবেশ করল কানুনগো হিসাবে। জলে নেমে, (আসলে মাঠে নেমে), ক্রমশ সে জানতে পারল তার কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত এলাকার মানুষদের দিনলিপি, জানতে পারল তাদের ক্ষোভ, দুঃখ, হতাশার কথা। দেখতে পেল ক্ষমতাশীল এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভেতরকার রাজনৈতিক হিংসা কোন পর্যায়ে যেতে পারে। জানতে পারল, কেন মানুষের এত ভয় এই বিভাগের আইনের মারপ্যাঁচ নিয়ে, কোথায় লুকিয়ে আছে স্বাধীনতা পরবর্তী আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। কিন্তু তার হাত থেকে কেমন করে রেহাই পাবে সাধারণ মানুষ?
দপ্তরের দুর্নীতির কালো গভীর থকথকে পাঁক তার আজন্ম লালিত সততাকে চূর্ণ করে তাকে সমানে টানতে লাগল আরও গভীরে তলিয়ে নিয়ে যেতে। সীমাহীন দুর্নীতির ঘূর্ণিস্রোত থেকে ভেসে উঠতে চাওয়ার ছটফটানি, মানসিক যন্ত্রণা, টানাপোড়েন, ভয় এবং লোভ তাকে শেষ অবধি কী দিল?
জীবনে প্রথম প্রেম এলো, সেও এলো সহজ স্বাভাবিক পথে নয়, জটিলতম রূপে। সেই প্রেম থেকে কী পেল অনিকেত? শরীর, না ভালবাসা? সহকর্মীদের উষ্ণতা, কর্তৃপক্ষের আস্ফালন, কাজের অবুঝ চাপ সবই কি আসলে ভূমি সংস্কার কর্মসূচির পা ভারত-বাংলাদেশ কাজ করতে গিয়ে আমূল ভূমি সংস্কার আসলে কী? বিপক্ষে? দম গায়ে বসে বুঝতে পারল
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি