কার কাছে যাই
বোধিসত্ত্ব রায়
(রাজ সংস্করন)
তিনটি উপন্যাস নিয়ে বোধিসত্ত্ব রায়ের "কার কাছে যাই"।
মেঘযান
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মেঘযান উপন্যাস পড়ে বলেছিলেন, তিব্বত সীমান্তের এই গোপন উপত্যকার খবর বেশি কেউ জানে না! বিপদসঙ্কুল পথে আমেরিকান তরুণীর সঙ্গে বাঙালি যুবকের প্রেম হয়। বাংলা ভাষায় এমন কাহিনি বিশেষ লেখা হয়নি। ঘটনার ঘনঘটা, রুদ্ধশ্বাস ছবির মতো বর্ণনা পাঠককেও নিয়ে যায় সেই বরফের পাহাড়ে ঘেরা ফুল প্রজাপতি আর সবুজ নদীর দেশে ।
পাখিচরার পাঁচকাহন
‘পাখিচরার পাঁচকাহন’ এক কিশোরের বয়ঃসন্ধিতে দুই প্রেমের গল্প। সীমান্তের অচিন গ্রামের সাবেক জমিদার বাড়ির নিয়োগ প্রথার গল্প। যৌনতায় সংস্কারে সময় যেখানে থমকে আছে। চরজাবালি মাঠের মন্দ বাতাস। অঘোর মল্লের ডাকাত কালীর থান। দখিন দেশের স্বপ্নে পাওয়া অনন্ত যৌবনের ওষুধ। ভূত ভুতুমের গল্প। সীমান্ত সমস্যা আর ঝিনুকের বিলে শাপলা শালুকের দেশে ডিঙি নৌকায় ভেসে যাওয়ায় লুকিয়ে আছে এক রূপকথার দেশের খোঁজ ।
কার কাছে যাই
'কার কাছে যাই’ উপন্যাসের বোহেমিয়ান যুবক মকরস্নানে সাগরসঙ্গমে আসে। ভারতীয় দর্শন, আধ্যাত্মবাদ। সুরতিয়া মায়ের হারিয়ে যাওয়া জিয়ন। মাণ্ডুর হরজিতের মায়ের অস্তিদান। বিপিন গোঁসাইয়ের কালো বউয়ে গীতগোবিন্দের দেহতত্ত্ব। নাগা সন্ন্যাসীর লিঙ্গ পুজো। রোজিটার ফরাসি প্রেম। পকেটমার ছেলেটি অথবা ডাক্তার বন্ধু মণীশের প্রাক্তন প্রেমিকা নেহা এক সুতোয় বাঁধা পড়ে। সে এক ইচ্ছেপূরণ প্রজাপতির সন্ধান পায়।