জীবনানন্দ ও সঞ্জয় ভট্টাচার্য
ভূমেন্দ্র গুহ
জীবনানন্দ দাশ'এর পাণ্ডুলিপির খাতাগুলির সঙ্গে ভূমেন্দ্র গুহ'র নিকট সম্পর্কটা ঘ'টে গিয়েছিল জীবনানন্দর অপঘাত মৃত্যুর পরে-পরে; জীবনানন্দ'র এবং সঞ্জয় ভট্টাচার্য'র সঙ্গে তাঁর কনিষ্ঠ স্বজনের সম্পর্কটা তার বছর দু'-এক আগে থেকে। জীবনানন্দ'র মৃত্যুর অব্যবহিত পরের বছরগুলিতে তাঁর যে-চারটে বই প্রকাশিত হয়েছিল, দোষে-গুণে তারা তাঁর হাতে গ'ড়ে উঠেছিল, কনিষ্ঠ ভ্রাতা অশোকানন্দ দাশ'এর প্রশ্রয়ে। জীবনানন্দ'র মাল্যবান, সুতীর্থ উপন্যাস দু'টি তিনি প্রথমত কপি করে তুলেছিলেন। তাঁর তিনটি অপ্রকাশিত গল্প অনুক্ত সাহিত্য-পত্রিকায় প্রকাশিত করেছিলেন। সে-কালের কবিতা-পত্রিকা ময়ূখ'এর 'জীবনানন্দ স্মৃতি ময়ুখ' সংখ্যাটির পিছনে সকর্মক ছিলেন কনিষ্ঠ ভগিনী সুচরিতা দাশ'এর সঙ্গে জীবনানন্দ'র প্রকাশিত-কিন্তু-অগ্রন্থিত রচনাগুলির একটা প্রাথমিক পঞ্জি তৈরি করেছিলেন সর্বপ্রথম। তিরিশ-বত্রিশ বছরের বিরতির পরে আবার জীবনানন্দ'র ছেঁড়াখোঁড়া বাতিল কিছু পাণ্ডুলিপি এসে পড়েছে তাঁর হাতে; আট-দশ বছর ধ'রে সেই সব পাণ্ডুলিপি গুছিয়ে তোলার কাজে লেগে আছেন।
তবুও তো কয়েক জন বিশিষ্ট মানুষের ইচ্ছায় গোটা কয়েক প্রবন্ধ জীবনানন্দ'কে এবং সঞ্জয় ভট্টাচার্য'কে ফিরে লিখে ফেলতে হয়েছে। এই বইটায় সেগুলিই সঙ্কলিত হল। কেন লেগে আছেন, প্রশ্নটার উত্তরে তাঁর সাফাইটা হয়তো আঁচ করা যাবে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি