ভারতের সংবিধান (পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ)
অনুবাদ: তারকনাথ মল্লিক
সম্পাদনা: অপূর্বকুমার মুখোপাধ্যায়
ভারতের দুই নিকটতম প্রতিবেশী দেশে সংবিধানের মর্যাদা যখন ভূলুণ্ঠিত হয়েছে বারবার, দীর্ঘ সাত দশক ধরে নানান প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েও ভারতীয় সংবিধান তখন স্বমহিমায় ভাস্বর।
বিগত ৭০ বছর শতাধিকবার সংশোধিত হয়েও ভারতীয় সংবিধান যে তার মৌল বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছে, তার জন্য গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত তিন স্তম্ভ- বিচার বিভাগ, গণমাধ্যম ও জনগণের সক্রিয়তা দায়ী। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান ও গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষায় বারবার ক্ষমতাসীন দল বা জোটের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ ব্যর্থ করতে এগিয়ে এসেছে। ফলে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ দেশের সংবিধানের অন্যান্য অংশের পরিবর্তন করতে পারলেও তার মৌল কাঠামোয় কোনো বদল আনতে পারেনি। এ এক বিরল অর্জন।
বাংলা ভাষায় সংবিধান বিষয়ক বিবিধ গ্রন্থের কোনো অভাব না-থাকলেও অভাব ছিল জাতীয় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ কোনো বঙ্গানুবাদের। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিশিষ্ট শিক্ষক ড. তারকনাথ মল্লিক প্রণীত এই গ্রন্থটি সেই অভাব পূরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
⭐⭐⭐⭐⭐ 5/5 Rating "ভারতের সংবিধান" বইটি ভারতীয় সংবিধান সম্পর্কে জানার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি বই। ভাষা সহজ ও বোধগম্য হওয়ায় সাধারণ পাঠক, ছাত্রছাত্রী এবং আইন সম্পর্কে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য এটি খুবই সহায়ক। সংবিধানের মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়গুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমি বইটি পড়ে অনেক নতুন তথ্য জানতে পেরেছি। ভারতীয় আইন ও সংবিধান সম্পর্কে জ্ঞান বাড়াতে চাইলে বইটি অবশ্যই পড়ার মতো। Highly Recommended!
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি