বেকন সাহেবের ধুতি ও অন্যান্য
অনিমেষ চট্টোপাধ্যায়
শীতের সন্ধে। কলকারখানা ঘেরা শহরতলী। মেজদার চা-ঘুগনির দোকানে আড্ডা বসেছে। আড্ডার আসল আকর্ষন মেজদা নিজেই। ঢালাই কারখানার মিস্ত্রীর আর ট্রেড ইউনিয়নের জীবন কাটিয়েছেন পুরনো ট্রেড ইউনিয়নের ট্র্যাডিশনে। নেশা পাড়ার পাবলিক লাইব্রেরির বই পড়া। কারখানা বন্ধ হওয়ায় এখন চা-ঘুগন্নি দোকান। আড্ডার মাঝে এক বন্ধু প্রফেসর বলছিলেন, 'এই বাংলায় একসময় মহিলা টেক্সটাইল টেকনিশিয়ানদের ল্যাঙ্কাশায়ার থেকে আনা হয়েছিল। বাঙালি মহিলা শ্রমিকদের ট্রেনিং দেবার জন্যে। জেনেট হেনরি কেইলম্যান বলে এক মহিলার স্মৃতিকথাতে আছে। সে অনেককাল আগে, ১৮২০ সালের লেখা।' অজানা দুষ্প্রাপ্য তথ্য। মেজদা খদ্দেরের জন্যে টোস্টে মাখন চিনি লাগাচ্ছিলেন। মুখ ঘুরিয়ে বলেছিলেন, "এটা কিন্তু সমরেশ বসুর জগদ্দলে আছে। ওইসব ব্রিটিশ মেয়েদের কবর, হাওড়ার বাউড়িয়া কটন মিলে আছে। কেউ কেউ বাঙালি বিয়েও করেছিল।"
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি