তিনটি তারার কথা

(2 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
Faruk Mallick
প্রকাশক লালমাটি

মূল্য
₹300.00
ক্লাব পয়েন্ট: 20
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন

তিনটি তারার কথা 

ফারুক মল্লিক 

ধর্ম-জাতপাত নির্বিশেষে, প্রেম-ভালোবাসা স্থান পেয়েছে সবার শীর্ষে। মানুষের জীবনে দুঃখ, কষ্ট, সমস্যা, আনন্দ, যন্ত্রণা- সব থাকবে। একমাত্র ভালোবাসাই মানুষকে মানুষ বানাবে। তাই তো বুকের মাঝে বেদনা চেপে এক টুকরো হাসির নামই ভালোবাসা। আর সেই ভালোবাসা, তোমার আমার জীবনের না বলা কথা নিয়ে বর্তমান উপন্যাস 'তিনটি তারার কথা'। 

পর্যালোচনা ও রেটিং

5 মোট 5.0 -এ
(2 পর্যালোচনা)
  • Md Nizam Ali

    17-06-2026

    Maharajpur k.High School - HS 5 February · ফারুক মল্লিক নবীন লেখকদের মধ্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র । মালদা থেকে প্রকাশিত গৌড়বার্তা পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে একাধিকবার । তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে "মেঘ ডুম্বর" পত্রিকাতে যেটি উত্তর বঙ্গের এক বিশেষ লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণা ধর্মী সাহিত্য পত্রিকা। এর আগে তাঁর কাব্যগ্রন্থ "তারাখসা মন" প্রকাশিত হয়েছে এবং পাঠকমহলে তা যথেষ্ট সমাদৃত হয়েছে। তিনি প্রায়শই আমাদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন রকম কাজকর্মের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের ফেস বুক পেজে তাঁর সুচিন্তিত মতামত প্রদান করে থাকেন যা আমাদের জন্য অনেকটাই গঠনমূলক। আমাদের ছোট পরিসরে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে যে সকল উদার এবং সুন্দর মানুষ সমর্থন করেন এবং অনুপ্রানিত করেন তিনি তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন । সম্প্রতি কলকাতা বই মেলায় লালমাটি প্রকাশনা থেকে তাঁর প্রকাশিত উপন্যাস "তিনটি তারার কথা" যথেষ্ট পরিচিতি পেয়েছে । এবং তার একটি কপি তিনি আমাদের বিদ্যালয়ে উপহার স্বরূপ পাঠিয়েছেন । উপন্যাসের কাহিনী বিন্যাস, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য,জাতি- ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক যে এত মধুর হতে পারে, উপন্যাসটি না পড়লে অনেক কিছু অপূর্ন বা অজানা থাকতো। উপন্যাসটি না পড়লে জানতে পারতামনা ফারহান, এষা, নিষা, সর্দারজি, জাভেদ, শ্রাবণী বিভিন্ন চরিত্রের ভালোবাসার প্রতি টান, শ্রদ্ধা বা সম্মান এত বেশি কেন। উপন্যাসটি না পড়লে, অপূর্ন থাকতো অজানা কিছু ইতিহাস ছুঁয়ে দেখার। পড়লে মনে হয়, উপন্যাসটির বিভিন্ন চরিত্র, কাহিনী যেন চোখের সামনে ছবির মত ভাসছে। নবীন লেখক হিসাবে পাঠকদের তিনি যে এত সুন্দর প্রাণবন্ত একটা কাহিনী উপহার দেবেন, অকল্পনীয়। সত্যি অসাধারণ। উপন্যাসটি সকল শ্রেনীর পাঠকের কাছে সংগ্রহযোগ্য । ওনার লেখা বাংলা সাহিত্য ও পরবর্তী প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে, এই আশা রাখি। উপন্যাসটি পুনশ্চ, মালদা এবং মডেল বুক ডিপো, মালদা থেকে পাওয়া যাবে।

  • FARUK MALLICK

    16-06-2026

    "তিনটি তারার কথা" উপন্যাসটা পড়ার পর এক গুণীজনের প্রতিক্রিয়া ধরলাম, যিনি একাধারে অতলকথা, অব্যক্ত, ছন্দপথিক বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের স্রষ্টা অন্যদিকে বিভিন্ন ভ্রমণ কাহিনীর লেখক। সেই গুণীজনের প্রতিক্রিয়া আমার জীবনে এক ভীষণ প্রাপ্তি। - পাঠ প্রতিক্রিয়া - সাহিত্যসাথী ফারুক মল্লিকের স্মৃতিচারণমূলক উপন্যাসটি পড়েই ফেললাম মানে আমি “তিনটি তারার কথা”র বিষয়ে বলছি। খানিকটা আত্মজীবনীর ঢঙে লেখা। মূলত টলস্টয়, দস্তয়েভস্কি বা জীবনানন্দের উপন্যাসে এই ধারার প্রয়োগ লক্ষ্য করেছি। ভাল লেগেছে প্রেমের ফ্ল্যাশব্যাকের আখ্যানের মাঝে বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের ইঙ্গিত, ইতিহাস ছুঁয়ে দেখা – হাজিপুরের কেল্লা, সেন্ট টমাস চার্চ, নিমপীঠের শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম, ইন্ডিয়া গেট, পুরানা কিলা ইত্যাদি। ভাল লেগেছে কারণ এই জায়গাগুলো ঘিরে আমার আপনার অনেকেরই কিছু স্মৃতি উঁকিঝুঁকি দেয়। উপন্যাসের নায়ক নায়িকার প্রিপ্ল্যানড ট্রেনজার্নির সাতকাহন চমক আনে অভিনবত্বের গুণে। মাঝে মাঝে স্বরচিত কবিতার ঝলকানি ফারহানের মানে নায়কের ভাবুক স্বত্বার বহিঃপ্রকাশে স্বচ্ছন্দ লেগেছে। তবে শ্রাবণী আর জাভেদের প্রেম কাহিনী যেমন সংসারে রূপ নিয়েছে, তেমনটা লেখক নির্দিষ্ট করেন নি এষা আর ফারহানের জন্য। এষার ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ইঙ্গিত বা হারিয়ে যাওয়া উপন্যাসটিকে মাঝপথেই কিছুটা থমকে দিয়েছে আমার মত পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গীতে। আসলে আমরা তো সবসময়ই মিলনান্তক উপসংহার চাই, হয়ত তাই। কিন্তু এই উপন্যাসে আরো বড় চমক বাকি ছিল এষার ফিরে আসা আর চলে যাওয়ার মধ্যে যা প্রমাণ করে – “যা হারায় তা হারায় শুধু চোখের তারায়…” এষাকন্যা নিশানীর মিষ্টি হয়ে নিষা-ফারহানের পরিবারে দত্তক হিসাবে গৃহীত হবার মধ্যে ঈশ্বরের অমোঘ লীলার আভাস যাকে শুধু কাকতালীয় বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বরং এর মাধ্যমেই লেখক এষা-ফারহানের প্রেমকে ন্যাচারাল জাস্টিস দিতে চেয়েছেন। শুধু একচিলতে ফাঁক ইচ্ছা করেই রাখা হল কি না কে জানে? চিঠি দুটো যদি কোনোভাবে মিনতি সিস্টারের বদলে এষা নিষার হাতে তুলে দিত তাহলে হয়ত ষোলোকলা পূর্ণ হত। তবে এই অসম্পূর্ণতা হয়ত ইচ্ছা করেই পাঠকের “শেষ হয়ে হইল না শেষ” ধারাকে বজায় রেখে গেল। এটুকুই বলার এখানেই যেন শেষ হয়ে না যায় নতুন কলমের কারুকার্য। আশা করব আগামীতে আরো অনেক সমকালধর্মী লেখা ফারুকের কলম থেকে আসবে যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে তুলবে। সময়কে ধারণ করতে পারাটা সাহিত্যের খুব বড় একটা গুণ। পুলিশের চাকরি সামলে এরকম ধর্মনিরপেক্ষ শৈল্পিক ভাবনা নিয়ে অসম্পূর্ণ প্রেমের উপন্যাস লেখা বড় সহজ কথা নয়। বইটি অবশ্যই সংগ্রহযোগ্য। অনেক অগ্রিম শুভেচ্ছা নবীন লেখকের আগামী উপন্যাসের জন্য। কলমে - প্রলয় তারিখ ২৩/২/২০২৬ সময় দুপুর ৩ টে ৩০ মিনিট

সংশ্লিষ্ট বই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি