ঠাকুরবাড়ির সত্যকথন
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
রবীন্দ্রনাথের অগাধ আস্থা ছিল হোমিওপ্যাথির ওপর। বিখ্যাত সব হোমিওপ্যাথ ডাক্তার মৃণালিনীর চিকিৎসা করেছিলেন। সেকালের খুব নামী ডাক্তার প্রতাপচন্দ্র মজুমদার ছাড়াও ডি এন রায় বাড়িতে এসে চিকিৎসা করেছেন। হোমিওপ্যাথিক বায়োকেমিক চিকিৎসায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবল আগ্রহ ছিল। তিনি নিজেও কখনো ওষুধ দিয়েছেন, আবার কি ওষুধ দেওয়া যেতে পারে, তাই নিয়ে ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন।
মৃণালিনী দেবীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় সব মিলিয়ে খরচ হয়েছিল আঠাশ টাকা দু পয়সা। ঠাকুরবাড়ির "ক্যাশ বহি" তে আছে সেই প্রমাণ।
মায়ের শেষযাত্রায় কিশোর রথীন্দ্রনাথ যাননি। পুত্রের হাতের আগুন পাননি মৃণালিনী। শোকস্তব্ধ রবীন্দ্রনাথও যাননি। শোক যন্ত্রণার মধ্যে কবি টানা কদিন বাড়িতেই ছিলেন। পাঁচদিন পর বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ, গিয়েছিলেন প্রিয় বান্ধব আচার্য জগদীশচন্দ্রের বাড়িতে, পার্সিবাগানে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি