তেহরানে মোসাদ আতঙ্ক
মৃণালকান্তি দাস
২০০১ সালের পর আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় শুরু। ৯/১১-এর পর 'গ্লোবাল ওয়ার অন টেরর'-এ ইজরায়েলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে আমেরিকার। ২০০৮ সালে সিআইএ ও মোসাদের যৌথ অপারেশনে মারা যায় হিজবুল্লার দুই নম্বর নেতা ইমাদ মুগনিয়ে। দুই দেশের শত্রুর তালিকা মিলে যায়। ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি। মোসাদ চালায় ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক গুপ্তচরবৃত্তিমূলক ডাকাতি। ইরানের রাজধানী থেকে তারা তুলে আনে পুরো পারমাণবিক আর্কাইভ! মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে, দুই ডজন এজেন্ট গোপনে নিয়ে আসে সেই সব দলিল যা প্রমাণ করে: ইরান মিথ্যা বলেছে, বিশ্বকে ধোঁকা দিয়েছে। এরপর একের পর এক বিজ্ঞানী খুন, গোপন তথ্য উদ্ধার, ড্রোন ঘাঁটি গঠন, সাইবার হ্যাক- ইজরায়েল যেন ছায়া হয়ে ঢুকে পড়ে ইরানের শিরায়-উপশিরায়। আর culminating point-২০২৫ সালের জুন মাস। ইরান কেঁপে ওঠে। মাথাবিহীন একটা সাম্রাজ্য পড়ে থাকে ধ্বংসস্তূপে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়নি। এই ছায়া-যুদ্ধ চলবে... যতদিন ইরানের ইচ্ছে থাকবে ছাই থেকে আগুন জ্বালানোর। ছায়া থেকেই উত্তর আসবে- আবার কবে আলো জ্বলে উঠবে, কেউ জানে না।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি