তরুণের স্বপ্ন
সুভাষচন্দ্র বসু
"আমি আজ প্রস্তুত- আপনি শুধু কর্মের আদেশ দিন।" এ কথা সুভাষচন্দ্র বসু লেখেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে কেমব্রিজ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯২১ তারিখে আই সি এস থেকে ইস্তফা দেওয়ার দু'মাস আগেই। ১৯২০-র দশকের শেষে ২১ ডিসেম্বর ১৯২৯ মেদিনীপুর যুব সম্মিলনীতে সভাপতির অভিভাষণে সুভাষচন্দ্র তাঁর সাম্যের আদর্শের পরিষ্কার বার্তা দিয়েছিলেন: “পূর্ণ সাম্যবাদের উপর নতুন সমাজকে গড়িয়া তুলিতে হইবে। জাতিভেদের অচল আয়তনকে একেবারে ধূলিসাৎ করিতে হইবে; নারীকে সর্বভাবে মুক্ত করিয়া সমাজে ও রাষ্ট্রে পুরুষের সহিত সমান অধিকার ও দায়িত্ব প্রদান করিতে হইবে; অর্থের বৈষম্য দূর করিতে হইবে এবং বর্ণ-ধর্ম-নির্বিশেষে প্রত্যেকে (কি পুরুষ কি নারী) যাহাতে শিক্ষার ও উন্নতির সমান সুযোগ ও সুবিধা পায় তার ব্যবস্থা করিতে হইবে।"
এই বইটি ১৯২১ থেকে ১৯২৯ অবধি রচিত সভাষচন্দ্রের তিনটি প্রবন্ধ, আঠেরোটি চিঠি (যার মধ্যে একটি দেশবন্ধুর ওপর দীর্ঘ রচনা), ও নয়টি ছাত্র ও যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বক্তৃতার সম্ভার। নেতাজী রিসার্চ ব্যুরোর মহাফেজখানায় রক্ষিত নেতাজীর হস্তলিপি ও ছবি সম্বলিত, অধ্যাপক সুগত বসুর সম্পাদনায় এটি সুভাষচন্দ্র বসুর 'তরুণের স্বপ্ন' বই-এর অমূল্য প্রামাণ্য সংস্করণ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি