রেঞ্জারমামা সমগ্র
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
রঞ্জন রায় চাকুরি শুরু করেছিলেন ফরেস্ট রেঞ্জারের পোস্টে। তাঁকে রেঞ্জারমামা বলে ডাকতে শুরু করেছিল পাপান। পরে পদোন্নতি হয়ে তিনি ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার হন। মামার ডাকে পাপন বারবার ছুটে যায় তাঁর জঙ্গলের ডেরায়, কখনও সুন্দরবনে, কখনও তরাইতে, কখনও কাঁকড়াঝোরে, কখনও আড়াবাড়ি জঙ্গলে, এমনকি রেঞ্জারমামার এক বন্ধুর আহ্বানে রাজ্যের বাইরে ওড়িশার বাংরিপোষী বা গুজরাটের অরণ্যও। পাপানের ভবিতব্য এমনই যে, যেখানেই তারা যায় কোনো না কোনো রোমহর্ষক অ্যাডভেঞ্চারে সামিল হন রেঞ্জারমামা। জঙ্গল মানে যেমন হাতি বা বাঘের ত্রাস, তেমনি দুর্ধর্ষ সব মানুষের দৌরাত্মক কম নয়। প্রতিটি জঙ্গল ভ্রমণ শেষমেশ পর্যবসিত হয় ভয়ংকর অ্যাডভেঞ্চারে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি