পরবাস
সুচিত্রা ভট্টাচার্য
দেশগাঁও রোহিলা থেকে এসেছেন রোজিন্দারের দিদি-জামাইবাবু। গুরবচন সিং আর রোহিণী কাউর। মা, স্ত্রী ও ছেলে কুলদীপকে নিয়ে রাজিন্দারের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটে আজ একটু অন্যরকম হাওয়া। পুয়াজি-ফুফফফ্ফরজিকে পেয়ে কুলদীপ খুশি। বাঙালি সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে ওঠা কুলদীপের মনে চকিতে ভেসে ওঠে রোহিলার সবুজ ক্ষেত আর তার বন্ধু রানার বোন রিমঝিমের মুখ। কিন্তু গাড়ির শৌখিন ফিটিংসের ব্যবসায়ী নিরীহ প্রবাসী রাজিন্দারের ফ্ল্যাটে হঠাৎ নেমে আসে মৃত্যুর পরোয়ানা। মিথ্যে খবরের ওপর ভিত্তি করে পঞ্জাব পুলিশ কলকাতায় ধেয়ে এসে উগ্রপন্থী সন্দেহে হত্যা করে রাজিন্দারের দিদি-জামাইবাবুকে। এই অন্যায়, অবিচার ও বেইমানির আগুনে পুড়ে যায় একটি পরিবার। প্রতিকারহীন অন্ধকারে আলো হাতড়ে ফেরে কুলদীপ। চলে যেতে চায় পঞ্জাবে। কিন্তু সেখানে গিয়েও কি সে ভূমিপুত্র হতে পারবে? নিজেকে কি আজনবি লাগবে না তার? এ সব প্রশ্নের উত্তর এই উপন্যাসের জীবন্ত কাহিনীতে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি