ক্ষত

(0 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
সৌমিত্রি শঙ্কর ঘোষ

মূল্য
₹299.00
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন

ক্ষত 

(নেমেসিস সিরিজ) 

সৌমিত্রি শংকর ঘোষ 

২০২৫। জানুয়ারী। কলকাতা।

দুপুরের লাঞ্চ সারতে নিজের অফিস থেকে বেড়িয়ে সামনে চেনা ফুড স্টলের দিকে হাঁটতে থাকে Channel 24X7 এর দাপুটে রিপোর্টার রশিদা আলম। কিছুটা দূর এগিয়েই রশিদা বুঝতে পারে তার মোবাইলটা ভাইব্রেট করছে। সে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ভালো করে দেখে। বাবলুর ফোন। বাবলু, মানে বাবলু ঘোষ, রশিদাকে বিভিন্ন সময়ে নানান খবর সংগ্রহ করে দেয়। নদীয়ার ধুবুলিয়ার ছেলে। রশিদা কলটা রিসিভ করতেই অপর প্রান্ত থেকে বাবলুর কন্ঠস্বর ভেসে আসে “দিদি, আমাদের গ্রামে একটা বড় গন্ডোগোল চলছে”।

-কি গন্ডোগোল বাবলু?

-শেষ দু’মাসে গ্রামের বেশ কয়েকটা মেয়ে নিখোঁজ। আর সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হচ্ছে এদের বাবা মায়েরা থানায় কোন রিপোর্টও লেখায়নি।

-তাই! আশ্চর্য্য হয়ে যায় রশিদা। 

-হ্যাঁ দিদি। আপনি কি একবার গ্রামে আসবেন? বাবলুর কাতর আবেদন।

একটু সময় নিয়ে ভাবে রশিদা। তারপর সিদ্ধান্ত নেয় ও যাবে। নিজে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে আসবে। “আমি আসছি তোমাদের গ্রামে বাবলু। কালই”। রশিদার কথা শুনে আশ্বস্ত হয় বাবলু। সে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। জানে এই গন্ডোগোল একমাত্র সামলাতে পারে তার রশিদা দিদি। ডাকাবুকো সাংবাদিক হিসাবে এই মুহুর্তে যার নাম বাংলার সীমা ছাড়িয়ে সারা ভারতে স্থান করে নিয়েছে। “শুধু আমাকে সময়টা মেসেজ করে দেবেন দিদি” বাবলু বলে। 

-নিশ্চয়। রশিদা ছোট্ট উত্তর দিয়ে কলটা কেটে চেনা ফুড স্টলের দিকে আবার হাঁটা লাগায়। 

বাবলু নিজের মোবাইলটা প্যান্টের পকেটে চালান করে চায়ের দোকানের সামনে দাঁড় করানো নিজের সাইকেলটা নিয়ে বাড়ীর দিকে রওনা দেয়। চায়ের দোকানের মালিক, বাপন আড়চোখে খেয়াল রাখে বাবুল’র চলে যাওয়া। বাবলু তার দৃষ্টির বাইরে যেতেই সে নিজের কমদামী মোবাইলটা নিয়ে একটা নাম্বারে ফোন লাগায়। অপরপ্রান্ত কলটা রিসিভ করতেই বাপন দোকানের একটা কোণে গিয়ে চাপা স্বরে বলে “নিমাই ঘোষের ছেলের ওপরে একটু নজর রাখিস মন্টু। পাখি খুব কিচিরমিচির করছে”। 

পর্যালোচনা ও রেটিং

0 মোট 5.0 -এ
(0 পর্যালোচনা)
এই বইয়ের জন্য এখনও কোন পর্যালোচনা নেই

সংশ্লিষ্ট বই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি