ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে
জ্যোতিষচন্দ্র বসু
সম্পাদনা - পল্লব মিত্র
১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাত্রিতে ব্রিটিশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন বিপ্লবী জ্যোতিষচন্দ্র বসু। কয়েকদিনের মধ্যেই পুলিশের হাতে ধরা পড়েন পবিত্র রায় এবং হরিদাস মিত্র।
তিনজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ রাজদ্রোহ। রাজদ্রোহের অভিযোগে জেলে ঠাঁই পেলেন আরও এক বিপ্লবী, তিনি অমর সিং গিল। চারজনের ওপরই চলল অমানুষিক পুলিশি বর্বরতা। উদ্দেশ্য, বিপ্লবীদের, বিশেষত, আজাদ হিন্দ ফৌজের গতিবিধি-সম্পর্কিত কোনও গোপন সংবাদ।
কিন্তু না, একটি অক্ষরও বের করতে পারল না ব্রিটিশ পুলিশ। রাজদ্রোহের অভিযোগে শুরু হয়ে গেল লোকদেখানো বিচার। আর বিচারে ফাঁসির সাজা হল। তাতেও বিচলিত নন বিপ্লবী চতুষ্টয়। তাঁরা তো উৎসর্গীকৃত প্রাণ দেশমাতৃকার চরণে!
নির্ধারিত দিনে অকুতোভয় জ্যোতিষচন্দ্র এগিয়ে চললেন ফাঁসির মঞ্চ অভিমুখে। কী হল তারপর?
জানতে গেলে পড়তে হবে অগ্নিযুগের এই রুদ্ধশ্বাস দিনলিপি।
-------------------------
নেতাজির ঘনিষ্ঠ চার অনুরাগী স্বাধীনতায় অংশ নেওয়ায়, তাঁদের ফাঁসির আদেশ হয়। চারজনের অন্যতম ছিলেন নেতাজির ভাইঝির জামাই হরিদাস মিত্র, দ্বিতীয় জ্যোতিষচন্দ্র বসু, তৃতীয় পবিত্র রায়, চতুর্থ জন হলেন অমর সং গিল। গান্ধীজির ঐকান্তিক চেষ্টায় সাতটি ভাইসরয়-কে লেখা ফাঁসির আদেশ রদ করার অনুরোধে, অবশেষে চারজন মুক্তিপ্রাপ্ত হন। সেই চারজনের মধ্যে একজন হলেন বিপ্লবী জ্যোতিষচন্দ্র বসু, এবং তাঁর লেখা আত্মজীবনীর ডায়েরির ফলশ্রুতি হল আলোচ্য এই গ্রন্থ 'ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে'...
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি