ফেসবুক : মুখ ও মুখোশ
অর্ক দেব, পরঞ্জয় গুহঠাকুরতা এবং সিরিল স্যাম
আমরা যারা সামাজিক মাধ্যমের আলোকিত বৃত্তে ঘোরাফেরা করি, তারা সবাই হোয়াটস-অ্যাপ ইউনিভার্সিটির নাম জানি। সামাজিক মাধ্যম, ভারতবর্ষে বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুক কীভাবে রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠছে, তাকে কীভাবে কৌশলে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভেদ তৈরির কাজে, নির্বাচনের কাছে, এমনকি দাঙ্গা লাগানোর সদুদ্দেশ্যে, সেও আমরা মোটামুটি জানি। কিন্তু কী তার গভীর রহস্য, ব্যবহার করা হচ্ছে, না করতে দেওয়া হচ্ছে, নাকি এতেই সামাজিক মাধ্যমগুলির ফায়াদা, সেই বিশদতায় আমরা চট করে ঢুকিনা। কারণ, তাতে আমাদের অস্তিত্ব নড়ে যাবারই বিরাট সম্ভাবনা।
আমরা যারা সামাজিক মাধ্যমে ঘোরাফেরা করি, তারা পরঞ্জয় গুহঠাকুরতার নামও জানি। জানি, তিনি ঢুকেছিলেন এর গভীরে। সিরিল স্যামের সঙ্গে লিখেছিলেন আজ একটি গবেষণামূলক বই। এবং সঙ্গত কারণেই তিনি বিপদের খাঁড়া মাথায় নিয়ে নড়াচড়া করছেন। ইংরিজিতে লেখা সেই বইটির নাম ছিল, দা রিয়েল ফেস অফ ফেসবুক, যা একই সঙ্গে বিপজ্জনক ও বেস্টসেলার।
এই বাংলা বইটি অনেকাংশে নতুন। কারণ বঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বইটিকে প্রায় নতুন করেই লিখেছেন লেখকত্রয়। বই শুরু হচ্ছে ধূলাচগড় এবং বসিরহাটের নৈরাজ এবং তাতে সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা দিয়ে। আর শেষ হচ্ছে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা হয়ে ফেসবুক হইসিলরোয়ারকে নিয়ে। ফলে এর বিস্তার নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। যেমন নয় লেখকদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা আর এই বইয়ের সাম্প্রতিকতা নিয়েও।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি