চর্যার সূতিকাগার রাঢ়ভূমিই ঝুমুর ও সহজিয়ার উৎসস্থল
রুমা মজুমদার নাগ
বৃহত্তর মানুভূম অর্থাৎ এই রাঢ় অঞ্চলে জৈন ও বৌদ্ধধর্মের বহু নিদর্শন আজও প্রমাণ দেয় (যদিও বর্তমানে তা হিন্দু দেব-দেবীতে রূপান্তরিত) যে এই স্থানে জৈন তীর্থঙ্কর ও বৌদ্ধধর্মের সাধকদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র ছিল। চর্যা আজও বেঁচে আছে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে ঝাড়ণি কিংবা ঝাড়ফুঁকের মন্ত্রের আড়ালে বা গাজনের ধর্মঠাকুরের মন্ত্রের মধ্যে। ‘ধর্মঠাকুরই চর্যার শেষ’, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর এই অনুসন্ধানের প্রাপ্তি চর্যাপদ। সিদ্ধাচার্যদের বিচরণক্ষেত্র এই রাঢ়ভূমেই জন্ম নিল চর্যা নাকি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য যাঁরা ছিলেন তাঁদেরই কথ্য ভাষাই ছিল চর্যার ভাষা এবং ঝুমুরের সাথে চর্যার সম্পর্ক কতটা নিবিড় সেই অনুসন্ধানই এই লেখার মূল বিষয় বস্তু।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি