ছাপাই চিত্রে রামায়ণ
জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য
বাংলা ভাষার বইতে অলংকরণ শুরু হয় উনিশ শতকে। সময় যত পাল্টেছে মুদ্রণ প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে পাল্টে গেছে অলংকরণের পদ্ধতি। কাঠখোদাই, লিথোগ্রাফি, হাফটোন, অফসেট কিংবা বর্তমানের ডিজিটাল, যেমনভাবে নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে তেমনি তার ব্যবহার যোগ হয়েছে অলংকরণের মাধ্যম হিসেবে। পাঠক এবং লেখকের মাঝে এক নিবিড় যোগসূত্র তৈরি করেন অলংকরণ শিল্পী। শিল্পীর কল্পনায় ফুটে ওঠা চরিত্রগুলো যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে পাঠকের কাছে। বাল্মীকি রচিত রামায়ণ কিংবা কৃত্তিবাসের বাংলা তর্জমা, ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে অলংকরণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। শিল্প নৈপুণ্যে ভরা খোদাইচিত্রের সংযোজন হয় রামায়ণে। মহাকাব্যের ছাপাইচিত্রগুলির সাদাকালো থেকে রঙিন ছবির উত্তরণ, গ্রন্থের আকর্ষণের কেন্দ্র হিসাবে ধরা দিয়েছে পাঠকের কাছে। এই গ্রন্থে উনিশ এবং বিশ শতকে ছাপাইচিত্রের ক্রমবিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রামায়ণ মহাকাব্যকে ফিরে দেখা হয়েছে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি