চলচ্চিত্রের চিত্রকর - বিদেশ ১
নীতিশ মুখোপাধ্যায়
চ্যাপলিন থেকে কুরোসাওয়া ১৮৮৯-১৯১০
যে বিশ্বজগতে চাঁদ ওঠে, ফুল ফোটে, ভোর হয়, পাখি গান গায়—তার অবশ্যই প্রকারভেদ আছে। তবু তারা সব মিলেমিশে শেষ পর্যন্ত এক একথাও সত্যি। পেন্টার যেমন একটা বা দুটো রঙ নিয়ে খেলা করে না, তার খেলা সব রঙের ‘মিলমিশ’ নিয়ে। চলচ্চিত্রের চিত্রকরও সেই মিলমিশের ছবি আঁকেন সেলুলয়েডে একটা স্রোতের মতো—তার ওপর ভাসছে যেন একগোছা পদ্ম। স্রোতের ওপর পদ্মটি ধীরে ধীরে দুলছে, দুলছে তার ছায়াটিও। দুই চিত্রকরই পদ্মটিকে আঘাত করেন না, শুধু দোলা দিয়ে দেন। তখন বুকের মধ্যে বেজে যায় সংলাপের সঙ্গে ছবির, ছবির সঙ্গে সুরের আশ্চর্য অলৌকিক প্রণয়ের সুর এবং তখনই পেন্টার এবং চলচ্চিত্রকারের একই সঙ্গে পৃথিবী ভ্রমণ হয়ে যায় যেন। “চলচ্চিত্রের চিত্রকর” সেই ভ্রমণ-পথের পথিক।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি