বিশ্ব পথিক মহেন্দ্রনাথ : ভ্রমণে ও মননে

(0 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
PROSANTA KUMAR ROΥ

মূল্য
₹300.00
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন
বিশ্ব পথিক মহেন্দ্রনাথ : ভ্রমণে ও মননে 

প্রশান্ত কুমার রায়

সিমলার দত্তবাড়ির বিশ্বনাথ দত্তের তিনটি পুত্রই রত্ন। বড় নরেন্দ্রনাথ দত্ত হয়ে গেলেন ধর্মগুরু বিশ্ববন্দিত স্বামী বিবেকানন্দ। মধ্যম মহেন্দ্রনাথ দত্ত হলেন অধ্যাত্ব জগতের এক জ্যোতিষ্ক এবং সাহিত্যিক। কনিষ্ঠ ভূপেন্দ্রনাথ হলেন একজন উজ্জ্বল স্বাধীনতা সংগ্রামী ও লেখক।

মহেন্দ্রনাথকে ১৮৮২-৮৪ সালে যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন স্বয়ং নরেন্দ্রনাথ। ঠাকুর সেদিন মহেন্দ্রনাথের মাথায় হাত দিয়ে প্রচুর আশীর্বাদ করেন।

ভবিষ্যত জীবনে মহেন্দ্রনাথ পরম দার্শনিক হন, এবং রচনা করেন শ্রীরামকৃষ্ণদেব ও তাঁর পার্ষদদের উপর অনুধ্যান গ্রন্থ ২৩ খানি। তিনি প্রথম লক্ষ্য করেন শ্রীরামকৃষ্ণের সমাধিস্থ অবস্থায় তাঁর মাথা থেকে এক অদৃশ্য ছটা বেরিয়ে সমবেত দর্শকদের আবিষ্ট করে এবং ধ্যানমগ্ন করে। এ কথা তিনি সবিস্তারে লিখেছেন তাঁর বই "শ্রীরামকৃষ্ণের অনুধ্যানে।" বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মহেন্দ্রনাথ, বিভিন্ন দর্শন, সমাজ বিজ্ঞান, 
শিক্ষা, ভাস্কর্য বিদ্যা ও অর্থনীতির উপর ৩৯টি গ্রন্থ রচনা করেন। এগুলি মৌলিক চিন্তায় পরিপূর্ণ। স্পন্দনবাদ ও
স্নায়ুবিজ্ঞানের উপর তিনি নানা মৌলিক গ্রন্থ লিখে গেছেন। তিনিও দাদা ও ভাইয়ের মত অকৃতদার ছিলেন। ১৯৫৬ সালের অক্টোবর মাসে তিনি ৮৮ বছর বয়সে দেহত্যাগ করেন। 
লেখক পরিচিতি

প্রশান্ত কুমার রায়, জন্ম কলকাতা শহরেই, ১৯৩৬ সালের ১৯ মার্চ। বাবা ছিলেন পুলিশ অফিসার, মা ধর্মপ্রাণা গৃহবধূ।

বাবার কর্মস্থল ছিলো আজ এই থানায়, কাল ওই থানায় বাবার সাথে সাথে আমরা নতুন নতুন এলাকায়, পুলিশের বেষ্টনীর মধ্যে। নতুন স্কুল, কোনো বন্ধু নেই, পাড়া নেই, নেই কোনো গুরুজন। ম্যাট্রিক পাশ করে ১৫ বছর বয়সে বিদ্যাসাগর কলেজে ভর্তি হলেন ১৯৫১ সালে। কলেজের NCC তে যোগদান করে একটি ক্যাম্প করে প্রশান্ত কুমারের প্রথম পথচলা অন্যদের সাথে। 1. SC পাশ করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে স্থান না পেলে হতাশায় তিনি দক্ষিণেশ্বর ও বেলুড় মঠে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নতুন পথের আশায়, প্রভুর কৃপায়। পথ মিলল, পুণ্যদর্শন মহেন্দ্রনাথের কৃপায়। ওই সাধু পরিবেশ থেকেই মহেন্দ্র সাহচর্য। ১৯৫৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ই অক্টোবর ১৯৫৬, মহেন্দ্রনাথের সান্নিধ্যে ছিলেন প্রশান্ত কুমার রায় মহাশয়। জীবনের গতিমুখ পাল্টে গেল, হয়ে উঠলেন জাহাজের অফিসার। বিদেশ ভ্রমণের শুরু। প্রায় সব মিলিয়ে ৭/৮ বছর জাহাজী জীবন, বিদেশ প্রশিক্ষণ, ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ভারতে ফেরা ১৯৬৫ সালে। এরপর কর্মজীবন ও সাহিত্যে হাতেখড়ি।

এখন নব্বই বছর বয়সে নিজগৃহে শান্তিতে বসবাস। আশ্রমের পরিবেশে, কলকাতার যোধপুর পার্কে।

পর্যালোচনা ও রেটিং

0 মোট 5.0 -এ
(0 পর্যালোচনা)
এই বইয়ের জন্য এখনও কোন পর্যালোচনা নেই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি