আত্মজীবনী সমগ্র ১ম খন্ড
তসলিমা নাসরিন
এই গ্রন্থ এমন একজন নারীর জীবনকাহিনি, যিনি মত প্রকাশের অধিকারের পক্ষে সারা বিশ্বে এক আন্দোলনের নাম। মানবতাবাদ, মানবাধিকার, নারী স্বাধীনতা ও নাস্তিকতার পক্ষে তিনি লড়াই করছেন দীর্ঘকাল। তসলিমা নাসরিন। এই উপমহাদেশের অতি আলোচিত নাম।
এমন সাহসী আত্মকথা বাংলা সাহিত্যে বিরল। ব্যক্তিগত পরিসরকে এমন অনিমেষ, নিরাসক্ত নয়নে দেখতে পারে ক’জন!
‘আমার মেয়েবেলা’ রচনার মাধ্যমে তিনি বাংলার নারীদের তথা বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছেন, এক নতুন শব্দ ‘মেয়েবেলা’। যে গ্রন্থের প্রতিটি পৃষ্ঠায় অসামান্য গদ্যভাষায় ছড়িয়ে আছে এক আশ্চর্য সততা, কমনীয়তার সঙ্গে যেখানে বর্ণিত জীবনের হৃদয়হীনতাও। ‘আনন্দ পুরস্কারে’ সম্মানিত এই গ্রন্থ।
‘উতল হাওয়া’তে বিধৃত, তাঁর জীবনের ষোলো থেকে চব্বিশ বছর। প্রথম যৌবনের স্মৃতি, প্রেম, বেদনার কাহিনি। এক সাধারণ মেয়ের হৃদয়ের বিপুল দোলাচল, মানসিক দ্বন্দ্ব কাটিয়ে আত্মশক্তি আবিষ্কারের কথা এ গ্রন্থ, যা প্রকৃতপক্ষে তসলিমা’র ‘তসলিমা’ হয়ে ওঠার কাহিনি।
‘দ্বিখণ্ডিত’র তসলিমা ‘অসামান্যা’, তিনি সেই সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে খ্যাতনামা লেখকের একজন, বিতর্কিতও। জীবনের এই পর্বে তিনি পুরস্কৃত হচ্ছেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিতে ভূষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিষিদ্ধ হচ্ছে তাঁর বই এবং বহু বিদেশি ভাষায় সে-বই অনূদিতও হচ্ছে। ‘দ্বিখণ্ডিত’তে যে ব্যক্তিজীবন তিনি অকুণ্ঠ সাহসে উন্মোচিত করছেন, তা তুলনারহিত। পশ্চিমবঙ্গে এক বছর ন’ মাস ছাব্বিশ দিন নিষিদ্ধ থাকার পর মহামান্য হাইকোর্টের রায়ে মুক্ত হয় ‘দ্বিখণ্ডিত’।
তসলিমা’র আত্মকথার এই প্রথম খণ্ডে রইল এই তিনটি গ্রন্থ,— আত্মজীবনী-সাহিত্য রূপে যার ঐতিহাসিক এবং সাহিত্যিক মূল্য অশেষ। রচনার প্রসাদগুণে তাঁর লেখা সততই পাঠকের হৃদয়প্লাবী।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি