অশ্বচরিত
ছন্দা বিশ্বাস
প্রাচীন ভারতবর্ষে অযোধ্যা নগরীর এক ব্রাহ্মণ পরিবারের অসাধারণ মেধাবী সন্তান অশ্বঘোষ এবং তাঁর প্রেমিকা যবনকন্যা প্রভার পরিচয় ও প্রণয় দিয়ে কাহিনির শুরু... আপাত সহজ এই মানবিক সম্পর্ক গুঁড়িয়ে যায় তৎকালীন ব্রাহ্মণ্যধর্মের গরিমা এবং আভিজাত্যের চাকার তলায়।
ফলস্বরূপ প্রভার মৃত্যু হয়। নিদারুণ শোকে অশ্বঘোষ ব্রাহ্মণ্যধর্ম ত্যাগ করে বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হন। নতুন জীবন শুরু হয়। সমস্ত রকম বাসনা, আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে ধার্মিক জীবন শুরু হল। প্রেম-বিরহ, দুঃখ-মৃত্যু, নানা ঘটনার সংঘাতে বিচিত্র অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে জীবনটাই বদলে যায়। আনন্দ-উচ্ছ্বাস, চাওয়া-পাওয়া, দৈনন্দিন সুখ-দুঃখ পেরিয়ে প্রবহমান নদীর মতো মহত্তর জীবনের সন্ধান করেন অশ্বঘোষ। এগিয়ে যান সমগ্রতার দিকে, পূর্ণতার দিকে। জীবন পথের বাঁক বদলের ভিতর দিয়ে অশ্বঘোষ বুদ্ধের জীবনের প্রতি আকৃষ্ট হলেন। মনোনিবেশ করলেন সাহিত্যকর্মে। এরপরে একের পর এক কাব্য লিখতে শুরু করেন। প্রথমে মগধরাজের সভাকবি হন। জীবন পথে আর এক বাঁক আসে তাঁর। কুষান সম্রাট কনিষ্ক মগধ রাজ্য আক্রমণ করলে অশ্বঘোষকে পেশোয়ার চলে যেতে হয় বিশেষ এক শর্তে। এবারে তিনি হলেন কনিষ্কের সভাকবি।
জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় পরিক্রমার ভিতর দিয়ে অশ্বঘোষ এক মহত্তম বোধের সন্ধান পান। আশ্চর্য বৈচিত্রে ভরা মানুষটির সঙ্গে পরিভ্রমণ করতে গিয়ে পাঠক খুঁজে পাবেন জীবনের নতুন অর্থ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি