আঁধারবেলা
সুচিত্রা ভট্টাচার্য
ষাট ছুঁই-ছুঁই প্রভাসবাবুর ভাড়াবাড়ি থেকে উত্তরণ হয়েছে বেলেঘাটার এক সদ্যনির্মিত আবাসনের চারতলার ফ্ল্যাটে। ছেলে অয়ন কলেজে পড়ায়। পুত্রবধূ আঁখি স্কুলশিক্ষিকা, সেইসঙ্গে নামী এক নাট্যদলের অভিনেত্রী। বেশ চলছে মধ্যবিত্ত-জীবন, সেই সময় রাজ্যে এক নামী জাপানি সংস্থা গাড়ি তৈরির মেগা প্রোজেক্ট নিয়ে এল। প্রভাসবাবুদের দেশের বাড়ি রুদ্রপুরে। কারখানার জন্য সরকার যতটা জমি অধিগ্রহণ করছে, তার মধ্যে তাঁদের রুদ্রপুরের জমিটুকুও পড়েছে, ভাল দামও প্রভাসবাবুরা পাবেন। রুদ্রপুরের চাষিরা কিন্তু জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ালেন। রাজ্য জুড়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কের ঝড়। প্রভাসবাবু কৌতুহলে রুদ্রপুরে গিয়ে ভাগচাষির আত্মহত্যা, মরিয়া কৃষক-আন্দোলন ইত্যাদির মুখোমুখি হলেন। আন্দোলনকারী এক তরুণী শ্যামলী দলুইয়ের মৃতদেহ পাওয়া গেল গাড়ি কারখানার সীমানায়। মর্মাহত প্রভাসবাবু ছিঁড়ে ফেললেন জমির বিনিময়ে সরকারের কাছ থেকে পাওয়া চেক। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের 'আঁধারবেলা' উপন্যাসে মুখর হয়ে আছে সাম্প্রতিক সময়।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি