আনন্দ রামায়ণের গল্প

(0 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
স্বাগতা দাসগুপ্ত
প্রকাশক ঋত প্রকাশন

মূল্য
₹250.00
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন

আনন্দ রামায়ণের গল্প 

স্বাগতা দাশগুপ্ত 

প্রচ্ছদ : সুশোভন প্রামাণিক 

“আনন্দ রামায়ণ হল সেই রামায়ণ যা পড়লে আনন্দ হয়। কবি বাল্মীকিকেই এই কাব্য রচনার কৃতিত্ব দেওয়া হয়, কিন্তু এই রামায়ণের কাহিনিতে দেখা যায় বাল্মীকি-পরবর্তী আধুনিক সচেতনতা। পণ্ডিতদের মতে এটি আনুমানিক পঞ্চদশ-ষোড়শ শতকে রচিত। সম্ভবত আনন্দ রামায়ণের কবি বাল্মীকির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের রামায়ণে বাল্মীকি-পরববর্তী চিন্তা-ভাবনা আনতে চেয়েছিলেন। অথবা বাল্মীকি নামে নিজেকে আড়াল করে তুলে ধরতে চেয়েছেন পরবর্তী যুগের চেতনা। তবে আমার মনে হয় প্রথম মতটিরই জোর বেশি। কারণ আনন্দ রামায়ণের কবি বাল্মীকির প্রতি কতটা অনুরক্ত তা স্পষ্ট হয় এর থেকে যে তিনি দাবী করছেন এমনকী ব্যাসের মহাভারত এবং পুরাণগুলিও বাল্মীকির রচনা থেকেই নেওয়া। আনন্দ রামায়ণ বলছে, রামের জীবন নিয়ে একশো কোটি শ্লোক রচনা করেছেন বাল্মীকি। তার মধ্যে যে শ্লোকগুলি শোকের তা নিয়ে আমাদের পরিচিত বাল্মীকি-রামায়ণ। যুদ্ধের অংশ নিয়ে ব্যাসদেবের মহাভারত। আর আনন্দের যে-অংশটি তা আনন্দ রামায়ণ। আনন্দ রামায়ণের কাজ মানুষকে আনন্দ দেওয়া। ন-টি কাণ্ডে বিভক্ত এই রামায়ণে শ্লোকের সংখ্যা মোট ১২,৩৬৪। অদ্ভুত সব কাহিনি আছে এই রামায়ণে। কখনো রাবণবধের পরে অযোধ্যায় চলে আসছে রাবণের হাসি তো কখনো কুম্ভকর্ণের মৃত্যুর পরে ঘুমের দেবী খুঁজছেন তাঁর থাকার জায়গা। কোনোরকম ঘটনা বা চরিত্র যোগ না করে নিজের ভাষায় তার মধ্যে থেকে চোদ্দটি কাহিনি লিখলাম এই বইতে, যেগুলি সম্ভবত অন্য কোনো রামায়ণে নেই।“—স্বাগতা দাশগুপ্ত 

পর্যালোচনা ও রেটিং

0 মোট 5.0 -এ
(0 পর্যালোচনা)
এই বইয়ের জন্য এখনও কোন পর্যালোচনা নেই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি